Pages

Showing posts with label News. Show all posts
Showing posts with label News. Show all posts

Monday, September 26, 2016

Admission Going On Jhenidah Government Veterinary College 2016-17

ঝিনাইদহ সরকারী ভেটেরিনারি কলেজ এ ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে   ৫ বছর মেয়াদী ডিভিএম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন ) কোর্সে ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের নিমিত্তে এসএমএস  এর মাধ্যমে আবেদন আহবান করা যাচ্ছে।






** আবেদনের সময় : ২৭/০৯/২০১৬ ইং তারিখ দুপুর ১২:০০টা হতে ৩১/১০/২০১৬ ইং তারিখ রাত ১১:৫৯মি : পর্যন্ত (যে কোনো সময় ) আবেদন করা যাবে।

** ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময় :  পরবর্তিতে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে জানানো হবে। 

** ২০১৬-২০১৭ সেশনে মোট আসন সংখ্যা : ৬০

** টেলিটক মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করতে হবে।

SMS Format: JGVC<>first three letter of HSC passing BOARD<>HSC Roll<>HSC passing Year<>first three letter of SSC passing BOARD<>SSC Roll<>SSC passing Year AND SEND IT TO 16222.

Example: JGVC JES 123456 2016 JES 654321 2014


** পরীক্ষার ফি : ৮০০/-(আটশত টাকা ) ।



** ভর্তি পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে হবে।



** ভর্তি পরীক্ষার সর্বমোট নম্বর = ১০০ (লিখিত পরীক্ষা =৮০ এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ থেকে = ২০) ।

        # লিখিত পরীক্ষার ৮০ নম্বর  (জীববিজ্ঞান=৩০, পদার্থবিজ্ঞান =১৫, রসায়ন =১৫, গণিত =১০ ও ইংরেজি =১০)

        # এইচএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ কে ২.৫ দ্বারা গুণ করা হবে এবং এসএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ কে ১.৫ দ্বারা গুণ করা হবে।




Wednesday, September 7, 2016

Slaughtering of an Animal: Western & Islamic Method

Western World এ পশু জবাইয়ের প্রচলিত নিয়ম(CPB Method):

Captive bolt pistol(CPB ) নামের এক ধরনের যন্ত্র দ্বারা পশুর কপালে প্রচন্ড আঘাত করা হয়। ধারনা করা হয় এতে পশু unconscious হয়ে পড়ে এবং জবাইয়ের পর ব্যথা অনুভব করে না।



গবেষণা :

জার্মানির Hanover University এর প্রফেসর Wilhelm Schulze এবং তার সহযোগী Dr. Hazim এর নেতৃত্বে একটি গবেষণা পরিচালিত হয়। গবেষনার বিষয়বস্তু ছিল :
১. Western World এ প্রচলিত নিয়মে(CPB Method) এবং
.ইসলামিক নিয়মে পশু জবাইয়ে পশুর যন্ত্রণা এবং চেতনাকে চিহ্নিত করা।
Experimental Setup:
Brain এর surface কে touch করে পশুর মাথার খুলির বিভিন্ন জায়গায় surgically কিছু electrode ঢুকিয়ে দেয়া হয়। পশুকে এরপর সুস্থ হওয়ার জন্য কিছু সময় দেয়া হয়। তারপর পশুগুলোকে জবাই করা হয়। কিছু পশুকে ইসলামিক নিয়মে আর কিছু পশুকে western world এর নিয়মে। জবাই করার সময় Electro Encephalo Graph (EEG) এবং Electro Cardiogram (ECG) করে পশুগুলোর brain এবং heart এর condition দেখা হয়।

Result:

ইসলামিক পদ্ধতিতে জবাইয়ের ফলাফলঃ

১. জবাইয়ের প্রথম ৩ সেকেন্ড EEG graph এ কোন change দেখা যায় না।  তারমানে পশু কোন উল্লেখযোগ্য ব্যথা অনুভব করে না।Image result for পশু জবেহ
২. পরের ৩ সেকেন্ডের EEG record এ দেখা যায় , পশু গভীর ঘুম এ নিমগ্ন থাকার মত অচেতন অবস্থায় থাকে। হঠাৎ প্রচুর পরিমানে রক্ত শরীর থেকে বের হয়ে যাবার কারনে brain এর vital center গুলোতে রক্তসরবরাহ হয়না। ফলে এই অচেতন অবস্থার সৃষ্টি হয়।
৩. উপরিউল্লিখিত ৬ সেকেন্ড এর পর EEG graph এ zero level দেখায়। তারমানে পশু কোন ব্যথাই অনুভব করেনা ।
. যদিও brain থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না , তবুও heart স্পন্দিত হচ্ছিল এবং তীব্র খিঁচুনি হচ্ছিল (spinal cord এর একটা reflex action) । এভাবে শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে রক্ত বের হয়ে যাচ্ছিল এবং এর ফলে ভোক্তার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত মাংস নিশ্চিত হচ্ছিল ।

Western World এ প্রচলিত পদ্ধতিতে(CPB Method) জবাইয়ের ফলাফলঃ

. মাথায় প্রচন্ড আঘাত করার পরের মুহূর্তে পশুটিকে দৃশ্যত অচেতন মনে হচ্ছিল
. কিন্তু EEG এর দ্বারা বোঝা যাচ্ছিল পশুটি খুব কষ্ট পাচ্ছে ।
. ইসলামিক পদ্ধতিতে জবাই করা পশুর তুলনায় CBP দিয়ে আঘাত করা পশুটির heart স্পন্দন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল । যার ফলে পশুটির শরীর থেকে সব রক্ত বের হতে পারে নি । এবং ফলশ্রুতিতে, পশুটির মাংস ভোক্তার জন্য অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাচ্ছিল ।

Western World এর পদ্ধতি(CPB Method) এবং MAD COW রোগঃ

Texas A & M University এবং Canada এর Food Inspection Agency একটা পদ্ধতি(Pneumatic Stunning) আবিষ্কার করেছে যেটাতে একটা metal bolt পশুর brain এ fire করা হয় এবং এর ফলে brain এর টিস্যু পশুর সারা শরীরে ছড়িয়ে পরে । Brain tissue এবং spinal cord হল Mad Cow আক্রান্ত গরুর সবচেয়ে সংক্রামক অংশ।  এছাড়াও brain এবং heart এ electric shock এর মাধ্যমে পশুকে অচেতন করেও কিছু কিছু জায়গায় পশু জবাই করা হয় যেটা মাংসের quality এর উপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলে ।

ভারতীয় পদ্ধতিঃ

ভারতে পশুর মাথা এক কোপে আলাদা করে ফেলা হয় । এতে করে ঐচ্ছিক পেশীগুলো হঠাৎ করে সঙ্কুচিত হয়ে পরে যা অনেক পুষ্টি সমৃদ্ধ তরল বের করে দেয় এবং heart হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শরীর থেকে রক্ত বের হতে পারে না , যা বের হওয়া স্বাস্থ্যকর মাংসের জন্য দরকার ।
এছাড়া ইসলামে spinal cord না কেটে শ্বাসনালী , এবং jugular vein দুটো কাটার ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে । এর ফলে রক্ত দ্রুত শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে । Spinal cord কাটলে cardiac arrest এর সম্ভাবনা থাকে যার ফলে রক্ত শরীরে আটকে যাবে যা রোগজীবানু এর উৎস ।
এখানে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার একটি হাদীছ শরীফ মনে করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছিঃ “আল্লাহপাক সবাইকে দয়া করার হুকুম দেন । তাই যখন জবাই কর তখন দয়া কর । জবাই করার পূর্বে ছুরিতে ধার দিয়ে নাও যাতে পশুর কষ্ট কম হয়” । তিনি পশুর সামনে ছুরিতে শান দিতে বা এক পশুর সামনে আরেক পশুকে জবাই করতেও নিষেধ করেছেন । এই জিনিস্টা কুরবানীর সময় আমারা ভুলে যাই ।
সবশেষে , আমরা কি এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে পশু জবাই করার ইসলামিক পদ্ধতিটিই সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত এবং পশু এবং পশুর মালিক উভয়ের জন্যই উপকারী?

Tuesday, August 30, 2016

DVM, International degree on Veterinary Science

এইচএসসি পাসের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা সঠিক সাবজেক্ট চয়েজ করতে না পারায় অনেকের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিস্প্রভ হয়ে যায় ।এক্ষেত্রে ভেটেরিনারি মেডিসিন অন্যতম একটি সাবজেক্ট যা পড়ে অর্জন করা যায় আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রী DVM।

কৃষি প্রধান দেশ আমাদের বাংলাদেশ, কৃষিক্ষেত্রের বৈপ্লবিক উন্নয়নের জন্য প্রাণী সম্পদের উন্নয়নও অপরিহার্য। আর এ প্রাণী সম্পদের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ ভেটেরিনারিয়ান। প্রাচীনকাল থেকেই ভেটেরিনারি শিক্ষা সারা বিশ্বে মানব কল্যাণে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আজ থেকে প্রায় ২৫০ বছর পূর্বে ফ্রান্সের লিয়ন শহরে ভেটেরিনারি সায়েন্সের যাত্রা শুরু ॥ এনথ্রাক্স, বার্ড ফ্লু প্রভৃতির মতো ভয়াবহ জুনোটিক রোগের প্রাদুর্ভাবে ফলে ভেট-দের চাহিদা এখন প্রচুর। ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুর অল্প দিনের মধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।

ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করতে হলে অবশ্যই ৫ বছর মেয়াদী ডিভিএম কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। যার সাথে রয়েছে এক বছর মেয়াদী ইন্টার্নশিপ। সাধারণত এ বিষয়ে সেমিস্টার পদ্ধতিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পাঠদান হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে এই বিষয়ে দেশের একমাত্র বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ রয়েছে ॥
DVM করতে আপনাকে সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড সহ উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হতে হবে এবং ভর্তি পরীক্ষায় নির্বাচিত হতে হবে ।
Anatomy ,Histology,physiology,Parasitology, pharmaceutical, medicine, Microbiology,dairy science, animals nutrition, Surgery & Obstetrics সহ animal health রিলেটেড বিষয়াবলী DVM কোর্সে পড়ানো হয় ॥
লেখাপড়া অনেকটা মেডিকেল ধাচে ।


# ক্যারিয়ার ---
# বিসিএস-এ ভেটেরিনারি ছাত্রদের জন্য রয়েছে বিশেষ কোটা। এছাড়া বিসিএস-এর অন্য ক্যাডারেও ভেটরা প্রতিযোগিতা করতে পারবে।
# বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেমন ICDDRB, BLRI, LRI, FRI - এগুলোতে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে পারবে ।
# সেনাবাহিনীতে ভেটেরিনারি পেশার জন্য স্বতন্ত্র ‘কোর’ রয়েছে যার নাম Remount Veterinary and Farm Core.
# বিভিন্ন Livestock Product Company যেমন- আইসক্রিম, জুস, বাটার,
ক্যান্ডি, কোলা, মিল্ক ও মিট ইন্ডাস্ট্রি-এ চাকরির অপার সুযোগ।
# ভেটদের রয়েছে উন্নত বিশ্বের যে কোনো দেশে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ!
# প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা,সিটি কর্পোরেশন,পাঁচতারা হোটেলগুলোতে মিট ইন্সপেক্টর, পাবলিক হেলথ অফিসার হিসেবে চাকরির সুযোগ।
# চিড়িয়াখানা, সাফারি পার্ক, সুন্দরবনে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ডাক্তার হিসেবে চাকুরির সুযোগ।
# এছাড়া প্রাইভেট প্র্যাকটিস, ফার্ম বিজনেস, ল্যাবরেটরি, ভ্যাকসিন
প্রোডাক্ট ইত্যাদির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সূবর্ণ সুযোগ তো রয়েছেই।


সর্বপরী ভেটেরিনারি মেডিসিন বর্তমানে একটি যুগোপযোগী এবং মূল্যবান সাবজেক্ট।।

Wednesday, August 24, 2016

Poisonous Snakes of The World

এরাই পৃথিবীর ভয়ংকরতম বিষধর সাপ

আমেরিকার সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন থেকে বলা হয়, শুধু আমেরিকাতেই বছরে ৭-৮ হাজার মানুষ বিষাক্ত সাপের কামড়ে প্রাণ বাঁচাতে হাসপাতালে ছোটেন। গোটা বিশ্বেই বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক বিষাক্ত সাপের বাস রয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপগুলো সম্পর্কে কম-বেশি ধারণা রয়েছে মানুষের। এই অদ্ভুত প্রাণীটিকে নিয়ে মানুষের আগ্রহের কোনো কমতি নেই। বিশেষজ্ঞরা তুলে ধরেছেন ভয়ংকরতম কয়েকটি সাপের কথা।
১. র‌্যাটলস্নেক : উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় দেখা যায় এই সাপদের। আমেরিকার বিষাক্ত সাপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতির এটি। র‌্যাটলস্নেক ১-৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। গ্রীষ্মের গরম রাতে এরা খুব বেশি আগ্রাসী হয়ে ওঠে।
২. ভাইপার : গোটা বিশ্বেই এদের দেখা মেলে। এদের চলাফেরা খুবই দ্রুত। আবার খুব দ্রুত চটে যায় এরা। এদের বিষে সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা ও রক্তক্ষরণ ঘটে। গ্যাবুন ভাইপারের রয়েছে সবচেয়ে বড় আকারের বিষদাঁত। এই সাপ ওৎ পেতে থাকে এবং হঠাৎ আক্রমণ করে।
৩. ব্ল ক্রেইট : এটা শুধু মানুষকেই কামড়ায় না নয়, সুযোগ পেলে অন্য সাপদেরও কামড় বসায়। এদের বিষ মারাত্মক। এদের একটি কামড় একজন মানুষের মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট। এদের বিষ একটি কোবরার বিষয়ে চেয়ে ১৫ গুন বেশি ভয়ংকর।
৪. ডেথ অ্যাডের : বলা হয়, রানি ক্লিওপেট্রা আত্মহত্যার জন্য এই সাপকেই ব্যবহার করেছিলেন। এক কামড়েই যে বিষ দেহে প্রবেশ করে তা রেসপাইরেটরি অ্যারেস্ট এবং প্যারালাইসিস ঘটায়। চিকিৎসা ছাড়া মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত।
৫. সি স্নেক : এই সাপগুলো সমুদ্রের লবণাক্ত পানিতে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে শিখেছে। ইন্ডিয়ান ও প্যাসিফিস সাগরে এদের দেখা যায়। বিভিন্ন আকার ও রংয়ের হয় এরা। মানুষের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে এমন বিষ তাদের রয়েছে। এরা ৯ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।
৬. ব্ল্যাক মাম্বা : এরাই পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির সাপ। ন্যাশনাল জিওগ্রাফি জানায়, এরা দ্রুত, ভীত এবং প্রাণঘাতী বিষ ধারণ করে। বহু মানুষের মৃত্যু কারণ এরা।
৭. ইনল্যান্ড তাইপান : অস্ট্রেলিয়ায় এদের দেখা যায়। ৮ ফুূট পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের বিষ মারাত্মক ক্ষতিকর। এদের বিষয় কয়েক ধরনের বিষাক্ত উপাদানের সমন্বয়। মানুষের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রে হামলা চালায়। রক্তে জমাট বাঁধতে শুরু করে। এর নেফ্রোটক্সিন কিডনিতে হামলা চালায়।
৮. টাইগার স্নেক : এটাকেও অস্ট্রেলিয়াতে দেখা যায়। গরম মাসে বেরিয়ে আসে নিজের দুনিয়া থেকে। এদের বিষ মানুষকে বিকলাঙ্গ করতে যথেষ্ট।
৯. ইস্টার্ন ব্রাউন স্নেক : অস্ট্রেলিয়ায় এদের কামড়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে। এদের বিভিন্ন রংয়ের হয়। এদের গতি যেমন বিস্মিত করে, তেমনি আতঙ্কিত করে বিষের ক্রিয়া।
১০. কিং কোবরা : বিষাক্ত সাপের মধ্যে পৃতিবীর সবচেয়ে সব সাইজের এরাই হয়। ১৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয় কিং কোবরা। হুমকির সম্মুখীন হলে দেহের এক-তৃতীয়াংশ মাটি থেকে সটান ওপরে তুলতে পারে। এদের বিষ মানুষকে মেরে ফেলার জন্য যতেষ্ট। সূত্র : এমএসএন

Snail

Shamuk4
শামুকের শরীরে রয়েছে প্রাকৃতিক জলশোধন ব্যবস্থা (ফিল্টার)। এরা ময়লাযুক্ত পানি পান করে। ময়লাগুলো খাদ্য হিসেবে রেখে যে পানিটা বাইরে ছাড়ে তা বিশুদ্ধ। যে ক্ষেতে শামুক থাকে, সেই ক্ষেতের উর্বরতা শক্তি বাড়ে। বেশি ফসল ফলে। এভাবে এরা কৃষকের অগোচরে বন্ধুর ভূমিকা পালন করে।
শামুক ও এর ডিম ইঁদুরের প্রিয় খাবার এবং অল্পতে ক্ষুধা নিবারণ করে। যে ক্ষেতে প্রচুর শামুক পাওয়া যায়, সেই ক্ষেতের ফসলও কম নষ্ট হয়। কই, শোল, শিং ও কার্পজাতীয় দেশি মাছগুলো শামুক ও শামুকের ডিম খেয়ে বেঁচে থাকে। ফলে শামুক

Saturday, November 28, 2015

Admission 2015-16 Going On Jhenidah Government Veterinary College.

ঝিনাইদহ সরকারী ভেটেরিনারি কলেজ এ ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে   ৫ বছর মেয়াদী ডিভিএম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন ) কোর্সে ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের নিমিত্তে এসএমএস  এর মাধ্যমে আবেদন আহবান করা যাচ্ছে।

** আবেদনের সময় : ২৬/১১/২০১৫ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২:০০টা হতে ১৭/১২/২০১৫ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার রাত ১১:৫৯মি : পর্যন্ত (যে কোনো সময় ) আবেদন করা যাবে।

** ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময় :  ০১/০১/২০১৬ইং রোজ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে ১১ ঘটিকা পর্যন্ত।

** ২০১৫-২০১৬ সেশনে মোট আসন সংখ্যা : ৬০

** টেলিটক মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করতে হবে।

SMS Format: JGVC<>first three letter of HSC passing BOARD<>HSC Roll<>HSC passing Year<>first three letter of SSC passing BOARD<>SSC Roll<>SSC passing Year AND SEND IT TO 16222.

Example: JGVC JES 123456 2015 JES 654321 2013


** পরীক্ষার ফি : ৮০০/-(আটশত টাকা ) ।

** ভর্তি পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে হবে।

** ভর্তি পরীক্ষার সর্বমোট নম্বর = ১০০ (লিখিত পরীক্ষা =৮০ এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ থেকে = ২০) ।

        # লিখিত পরীক্ষার ৮০ নম্বর  (জীববিজ্ঞান=৩০, পদার্থবিজ্ঞান =১৫, রসায়ন =১৫, গণিত =১০ ও ইংরেজি =১০)
        # এইচএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ কে ২.৫ দ্বারা গুণ করা হবে এবং এসএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ কে ১.৫ দ্বারা গুণ করা হবে।


For Details : www.dls.bd.com
                     http://www.ebdpratidin.com/home/displaypage/ad_2015-11-25_6_17_b#sthash.rt1opDMQ


Wednesday, November 11, 2015

Earlier History of Veterinary Medicine

History of Veterinary Medicine

Premodern era


"Shalihotra" manuscript pages
The Egyptian Papyrus of Kahun (1900 BCE) and Vedic literature in ancient India offer one of the first written records of veterinary medicine.(See also Shalihotra) ( Buddhism) First Buddhist Emperor of India edicts of Asoka reads: "Everywhere King Piyadasi (Asoka) made two kinds of medicine available, medicine for people and medicine for animals. Where there were no healing herbs for people and animals, he ordered that they be bought and planted."
The first attempts to organize and regulate the practice of treating animals tended to focus on horses because of their economic significance. In the Middle Ages from around 475 CE, farriers combined their work in horseshoeing with the more general task of "horse doctoring". In 1356, the Lord Mayor of London, concerned at the poor standard of care given to horses in the city, requested that all farriers operating within a seven-mile radius of the City of London form a "fellowship" to regulate and improve their practices. This ultimately led to the establishment of the Worshipful Company of Farriers in 1674.
Meanwhile, Carlo Ruini's book Anatomia del Cavallo, (Anatomy of the Horse) was published in 1598. It was the first comprehensive treatise on the anatomy of a non-human species.

Tuesday, November 10, 2015

A nice description of Veterinary occupation.

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষিক্ষেত্রে আমুল উন্নয়নের জন্য প্রাণিসম্পদের উন্নয়ন অপরিহার্য। আর এ প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে প্রয়োজন দক্ষ ভেটেরিনারিয়ান। প্রাণী চিকিৎ...সকরাই সাধারণত ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে পরিচিত। একটি দেশের পুষ্টি বিশেষ করে প্রোটিন, আমিষের চাহিদার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করেন প্রাণী চিকিৎসকরাই। বিভিন্ন গবেষণা, বিভিন্ন প্রাণির নতুন জাত উদ্ভাবন ও জাত উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি যেমন- দুগ্ধ উৎপাদন, ডিম উৎপাদনে এ ভূয়সী ভূমিকা রাখেন তারা। বিশ্বে যতগুলো সাবজেক্ট আছে তন্মধ্যে ভেটেরিনারি অন্যতম most wanted subject.
বাংলাদেশে ভেটেরিনারি শিক্ষা সম্পর্কে সাধারণ মানুষদের মধ্যে ধারনা কম ছিল, তবে